এআই চ্যাটবট ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট জনপ্রিয় হলেও এতে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ারের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা তাই ব্যবহারকারীদের বাড়তি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চ্যাটজিপিটি বা জেমিনাইয়ের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো এখন কাজ সহজ করে দিচ্ছে। কিন্তু এই সুবিধার আড়ালে লুকিয়ে আছে বড় ধরনের গোপনীয়তার ঝুঁকি। অনেক সময় আমরা না বুঝেই চ্যাটবটে ব্যক্তিগত বা অফিসের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লিখে ফেলি, যা পরে অন্য কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই মডেলগুলো মূলত বিশাল তথ্যভাণ্ডার থেকে শেখে। ব্যবহারকারী যখন কোনো তথ্য ইনপুট দেন, তখন সেটি ওই মডেলের ডেটাসেটে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বাংলাদেশের পেশাদার ব্যক্তি বা শিক্ষার্থীদের জন্য এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। ব্যক্তিগত পাসওয়ার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য বা অফিসের গোপন নথিপত্র কখনোই এআই চ্যাটবটে শেয়ার করা ঠিক নয়।
বিশ্বের বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এখন তাদের এআই মডেলে ডেটা প্রাইভেসি বা গোপনীয়তা রক্ষার ফিচার যোগ করছে। তবুও প্রযুক্তির ওপর শতভাগ নির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার সময় এআই থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। প্রযুক্তির এই জোয়ারে গা ভাসানোর আগে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টি সবার আগে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
0 views
Comments (0)
Sign in to leave a comment.
Loading comments…