স্মার্টফোনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য কতটুকু প্রয়োজন?
সাম্প্রতিক সময়ে স্মার্টফোন বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ফিচারের জোয়ার এসেছে। নতুন এসব ফিচার দৈনন্দিন কাজকে কতটা সহজ করছে তা নিয়ে আলোচনা চলছে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মাঝে।

স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন হার্ডওয়্যারের চেয়ে সফটওয়্যার ও এআই সক্ষমতার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। গুগল পিক্সেল বা স্যামসাং গ্যালাক্সি সিরিজের নতুন ফোনগুলোতে রিয়েল-টাইম অনুবাদ, ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত বস্তু মুছে ফেলা কিংবা জটিল টেক্সট সামারি করার মতো সুবিধা যুক্ত হয়েছে। এসব ফিচার মূলত প্রসেসরের নিউরাল ইঞ্জিন ব্যবহার করে কাজ করে, যার ফলে ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীলতা কিছুটা কমেছে।
বাংলাদেশে যারা প্রফেশনাল কাজ বা কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত, তাদের জন্য এসব এআই টুল বেশ কাজের হতে পারে। বিশেষ করে ছবি এডিটিংয়ের সময় সময় বাঁচানোর ক্ষেত্রে নতুন ফোনগুলোর এআই টুল বেশ কার্যকর। তবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে এসব ফিচারের কতটুকু প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তা নিয়ে ভিন্নমত আছে। অধিকাংশ মানুষ কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার বা ভিডিও দেখার জন্যই ফোন কেনেন।
নতুন ফোন কেনার আগে এআই ফিচারের মোহে না পড়ে ফোনের ব্যাটারি লাইফ ও দীর্ঘমেয়াদী সফটওয়্যার আপডেট পাওয়া যাচ্ছে কি না তা যাচাই করা বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, অনেক সময় এআই ফিচারগুলো ফোনের ব্যাটারি দ্রুত খরচ করে ফেলে। প্রযুক্তির এই দৌড়ে শামিল হওয়ার চেয়ে নিজের প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে ডিভাইস নির্বাচন করাটাই আসল।
0 views
Comments (0)
Sign in to leave a comment.
Loading comments…