দৈনন্দিন কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ছে বাংলাদেশে
বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সাধারণ ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে ছোট উদ্যোক্তারাও এখন জটিল কাজ সহজ করতে বিভিন্ন এআই টুলের ওপর নির্ভর করছেন।

প্রযুক্তির এই যুগে প্রতিদিনের অফিসের কাজ কিংবা ব্যক্তিগত হিসাব-নিকাশ আগের মতো জটিল নেই। বিশেষ করে চ্যাটজিপিটি কিংবা গুগল জেমিনাইয়ের মতো এআই টুলগুলো এখন আমাদের কাজের গতি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। একজন শিক্ষার্থী কিংবা ঢাকার কোনো ছোট স্টার্টআপের কর্মী, সবাই এখন ইমেইল লেখা থেকে শুরু করে ডেটা বিশ্লেষণের জন্য এআই ব্যবহার করছেন। এটি কেবল সময় বাঁচাচ্ছে না, বরং সৃজনশীল কাজের পরিধিও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
প্রোডাক্টিভিটি অ্যাপের বাজারে এখন নতুন সংযোজন অটোমেশন প্ল্যাটফর্মগুলো। জ্যাপিয়ার বা মেক ডটকমের মতো টুল ব্যবহার করে অনেক ব্যবসায়ী এখন তাদের রুটিন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয় করে ফেলছেন। এতে প্রতিষ্ঠানের কাজে ভুলের হার কমছে এবং কর্মীরা মূল পরিকল্পনায় বেশি সময় দিতে পারছেন। বিশেষ করে ই-কমার্স ব্যবসার ক্ষেত্রে কাস্টমার সাপোর্টের জন্য এআই চ্যাটবট ব্যবহারের প্রবণতা লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। এটি স্থানীয় বাজারে গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে।
অবশ্য এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি। অনেকেই না বুঝে সংবেদনশীল ব্যবসায়িক তথ্য এআই মডেলে ইনপুট দিয়ে দিচ্ছেন। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাবলিক এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের আগে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ডেটা পলিসি সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার জানলে এটি আমাদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে এক শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে। প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে এখন থেকেই ছোট ছোট কাজগুলো এআইয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে।
0 views
Comments (0)
Sign in to leave a comment.
Loading comments…