বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে দেশীয় স্টার্টআপগুলো
বিশ্ববাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে তোলপাড় চললেও পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। স্থানীয় স্টার্টআপগুলো এখন নিজস্ব প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে আসছে।

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে এক নতুন জোয়ার এসেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন আমাদের পরিচিত শব্দ। ঢাকার কারওয়ান বাজারের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের তরুণ উদ্যোক্তারা এখন এমন সব সফটওয়্যার বানাচ্ছেন যা সরাসরি সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান দিচ্ছে। তারা মূলত দেশীয় ব্যবসার জটিল সব হিসাব নিকাশ সহজ করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
অনেক নতুন স্টার্টআপ এখন ডেটা অ্যানালাইসিস এবং গ্রাহক সেবার কাজে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বিশেষ করে ই-কমার্স খাতে ডেলিভারি ট্র্যাকিং বা চ্যাটবটের ব্যবহার এখন অনেকটা সহজ হয়েছে। এতে ছোট উদ্যোক্তারা কম খরচে নিজেদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন। এটি ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি একটি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহারে কোনো জটিলতা না থাকায় সাধারণ মানুষের মাঝেও এসব সেবার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে।
তবে এই খাতের বড় চ্যালেঞ্জ হলো দক্ষ জনবল এবং উন্নত অবকাঠামোর অভাব। বিশ্বের বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সাথে পাল্লা দিতে হলে আমাদের শিক্ষার্থীদের আরও বেশি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে আগামী কয়েক বছরে বাংলাদেশ এআই প্রযুক্তিতে দারুণ এক অবস্থানে পৌঁছাবে। আমরা এখন কেবল প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নই, বরং প্রযুক্তি তৈরির সক্ষমতাও অর্জন করছি।
1 views
Comments (0)
Sign in to leave a comment.
Loading comments…