ছোট ব্যবসার কাজে এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে বাংলাদেশে
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তাদের ব্যবসার খরচ কমাচ্ছেন এবং কাজের গতি বাড়াচ্ছেন।

দেশের ছোট উদ্যোক্তারা এখন আর বড় বাজেটের ওপর নির্ভর করছেন না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। সাধারণ চ্যাটবট কিংবা ছবি তৈরির এআই টুল ব্যবহার করে তারা পণ্যের বিপণন এবং গ্রাহক সেবার কাজগুলো ঘরে বসেই সেরে নিচ্ছেন। ঢাকার মিরপুরের একজন অনলাইন ব্যবসায়ী বলছিলেন, আগে একটি পোস্টার তৈরি করতে তাকে গ্রাফিক ডিজাইনারের পেছনে সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হতো। এখন তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার টুলে কয়েক মিনিটেই সেটি করে ফেলছেন।
শুধু বিপণন নয়, ব্যবসার হিসাব নিকাশ এবং গ্রাহকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখতেও এই প্রযুক্তি কাজ দিচ্ছে। ছোট ব্যবসাগুলোতে সাধারণত লোকবল কম থাকে। সেখানে এআই টুলগুলো অনেকটা কর্মীর মতো কাজ করে। এটি পণ্যের বিবরণ লেখা কিংবা গ্রাহকের সাধারণ প্রশ্নের জবাব দিতে দারুণ কার্যকর। এই প্রযুক্তির ব্যবহার যে কোনো সাধারণ মানুষই শিখতে পারেন। কারিগরি দক্ষতার চেয়ে এখানে সৃজনশীল চিন্তার গুরুত্বই বেশি।
তবে এই প্রযুক্তির ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শও দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এআই থেকে প্রাপ্ত তথ্য সবসময় নির্ভুল হয় না। তাই যেকোনো বড় সিদ্ধান্তের আগে মানুষের যাচাই-বাছাই করা জরুরি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এআই এখন এক নতুন সুযোগের নাম। যারা এই প্রযুক্তির সাথে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারছেন, তারা ব্যবসার দৌড়ে অন্যদের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে থাকছেন। সামনের দিনগুলোতে প্রযুক্তি আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন প্রযুক্তিবিদরা।
0 views
Comments (0)
Sign in to leave a comment.
Loading comments…