Back to newsroomTechnology

দৈনন্দিন কাজে এআই টুলের ব্যবহার বাড়ছে বাংলাদেশে

বাংলাদেশের কর্মজীবী ও শিক্ষার্থীরা এখন কাজের গতি বাড়াতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই টুলের ওপর নির্ভর করছেন। দৈনন্দিন জীবনে এই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার সময় বাঁচাচ্ছে অনেক।

দৈনন্দিন কাজে এআই টুলের ব্যবহার বাড়ছে বাংলাদেশে
গত কয়েক মাসে বাংলাদেশের প্রযুক্তি সচেতন তরুণদের মধ্যে এআই টুল ব্যবহারের প্রবণতা লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। চ্যাটজিপিটির মতো ভাষাভিত্তিক মডেল বা ক্যানভার মতো ডিজাইন টুলগুলো এখন অফিসের কাজ থেকে শুরু করে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরিতে নিয়মিত ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে যারা ফ্রিল্যান্সিং বা ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সঙ্গে যুক্ত, তাদের কাছে এই টুলগুলো এখন কাজের প্রধান সহায়ক। অফিসিয়াল ইমেইল লেখা বা দীর্ঘ কোনো প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ তৈরি করতে এআই এখন কয়েক সেকেন্ডের কাজ। আগে যে প্রতিবেদন লিখতে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগত, এখন এআই-এর সহায়তায় তা অল্প সময়ের মধ্যে খসড়া করা সম্ভব হচ্ছে। তবে মনে রাখা দরকার, এআই কেবল খসড়া বা ধারণা দিতে পারে। চূড়ান্ত মান নিশ্চিত করার দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত মানুষেরই। দেশের অনেক ছোট উদ্যোক্তা এখন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের আইডিয়া বা কন্টেন্ট তৈরির জন্য এআই টুল ব্যবহার করছেন। এতে বাড়তি লোকবল ছাড়াই তারা নিজেদের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে পারছেন। প্রযুক্তি যে শুধু বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য, সেই ধারণা এখন বদলে যাচ্ছে। নিজের স্মার্টফোনটি ব্যবহার করেই যে কেউ এখন ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে এআই-কে কাজে লাগাতে পারেন। নতুন এই ধারায় অভ্যস্ত হওয়া এখন সময়ের দাবি।
1 views

Comments (0)

Sign in to leave a comment.
Loading comments…