Back to newsroomTechnology

এআই দৌড়ে গতি বাড়াল গুগল, ওপেনএআই, মাইক্রোসফট, মেটা ও অ্যাপল

বড় টেক কোম্পানিগুলো সার্চ, ফোন, পিসি আর সামাজিক মাধ্যমে এআইকে আরও গভীরে নিচ্ছে। বাংলা সমর্থন, প্রাইভেসি আর ডিভাইস সামর্থ্য, এই তিনটি বিষয়ই এখন ব্যবহারকারীর সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর।

7/18/2026, 7:12:43 PM
এআই দৌড়ে গতি বাড়াল গুগল, ওপেনএআই, মাইক্রোসফট, মেটা ও অ্যাপল
বিশ্বের বড় টেক কোম্পানিগুলো এ বছর এআইকে মূলধারার অভিজ্ঞতায় নামিয়ে আনতে ব্যস্ত। সার্চে সংক্ষিপ্ত উত্তর, চ্যাটে ভয়েস ও ভিডিও বোঝার ক্ষমতা, আর পিসি ও ফোনে অনডিভাইস মডেল, সব মিলিয়ে ব্যবহারকারীর সামনে নতুন ধরণের সহকারী দাঁড়িয়ে গেছে। দুপুরে ঢাকার এক মোবাইল শোরুমে গিয়ে দেখা গেল, মানুষ এখন ফোন কিনতে এসে চিপের এআই পারফরম্যান্স নিয়েই বেশি প্রশ্ন করছে। গুগল তাদের জেমিনি মডেল পরিবারকে সার্চ ও অ্যান্ড্রয়েডে আরও ছড়াচ্ছে। অনেক বাজারে এআই ওভারভিউ বাড়ছে, সঙ্গে লাইভ ভয়েসে কথোপকথন আর ডকুমেন্ট বোঝা, এসব ফিচার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হচ্ছে। বাংলা প্রশ্নের উত্তর আগে যতটা খুঁটিনাটি ছিল না, এখন তুলনামূলক ভালো, তবু জটিল বিষয়ে ভুলের ঝুঁকি রয়েই গেছে। ওপেনএআই চ্যাটজিপিটিতে ভয়েস ও ভিশন অভিজ্ঞতা এগিয়ে নিচ্ছে, সৃজনশীল কাজের জন্য ভিডিও জেনারেশনের প্রিভিউ দেখিয়েছে, আর নিরাপত্তা যাচাই নিয়ে জোর দিচ্ছে। লক্ষ্য একটাই, কম ধাপে বেশি কাজ সেরে ফেলা। মাইক্রোসফট কোপাইলটকে উইন্ডোজ, অফিস আর ডেভেলপার টুলে গেঁথে দিয়েছে। নতুন প্রজন্মের এনপিইউসহ কোপাইলট পিসি নিয়ে তাদের চাপা জোর, কারণ অনেক কাজ ক্লাউডে না পাঠিয়ে ডিভাইসেই করা গেলে গতি বাড়ে, খরচও কমে। প্রাইভেসি নিয়ে আলোচনার পর কিছু বৈশিষ্ট্য চালুর ক্ষেত্রে সংযম দেখা গেছে, যা ব্যবহারকারীর আস্থা ফেরাতে কাজ করছে। মেটা খোলা ওজনের লামা মডেল দিয়ে ডেভেলপারদের টানছে, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম আর হোয়াটসঅ্যাপে মেটা এআই চ্যাট ছড়িয়ে দিয়ে অ্যাপের ভেতরেই সহায়ক এনে দিয়েছে। স্মার্ট চশমা ও ক্যামেরা ভিত্তিক ফিচারেও তাদের আগ্রহ বাড়ছে। অ্যাপল তাদের ডিভাইসে অনডিভাইস এআইকে প্রাধান্য দিয়ে অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স নামের ছাতার নিচে ফিচার সাজাচ্ছে। সিরি আরও প্রসঙ্গ বোঝে, লেখার পরামর্শ দেয়, স্ক্রিনের তথ্য নিয়ে কাজ করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ক্লাউডে গেলেও, প্রসেসিংয়ের বড় অংশ ডিভাইসে, আর নতুন চিপের ডিভাইসগুলোই আগে সুবিধা পায়। ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের বিকল্পটিও রাখা হয়েছে, ব্যবহারকারী চাইলে তবেই সক্রিয় হবে। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর জন্য বিষয়টা সরল। যে ফোন বা ল্যাপটপ কিনছেন, সেটির এআই সামর্থ্য, ভাষা সমর্থন, আর প্রাইভেসি নিয়ন্ত্রণ খুঁটিয়ে দেখুন। বাংলা ইনপুট, ভয়েস টু টেক্সট, আর অফলাইনে কাজের সুবিধা থাকলে দৈনন্দিন কাজে লাভ তৎক্ষণাৎ বোঝা যায়। ব্যবসার ক্ষেত্রে ওপেন ও ক্লোজড, দুই ধরণের মডেলের ওপরই এখন সমাধান গড়া যাচ্ছে, তাই খরচ, তথ্য নিরাপত্তা আর গ্রাহকের ভাষা বিবেচনায় বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। ভুয়া ছবি বা ডিপফেকের ঝুঁকিও বেড়েছে, তাই উৎস যাচাই করে শেয়ার করা এখন আর বাড়তি কিছু নয়, প্রয়োজন।
0 views