নিরাপদ থাকতে পাসওয়ার্ডের বদলে পাসকি ব্যবহারের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
সাইবার নিরাপত্তা বাড়াতে প্রচলিত পাসওয়ার্ডের জায়গা দখল করছে পাসকি। এটি ব্যবহারে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি অনেকটা কম বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

অনলাইন দুনিয়ায় ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধিকাংশ মানুষ একই পাসওয়ার্ড একাধিক অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করেন, যা হ্যাকারদের কাজ সহজ করে দেয়। এই সমস্যা সমাধানে গুগল, অ্যাপল এবং মাইক্রোসফটের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন পাসকি বা Passkey ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
পাসকি মূলত আপনার ডিভাইসের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি যেমন আঙুলের ছাপ বা ফেস আইডি ব্যবহার করে কাজ করে। এর জন্য আলাদা করে কোনো পাসওয়ার্ড মনে রাখার প্রয়োজন নেই। ফলে ফিশিং বা পাসওয়ার্ড চুরি যাওয়ার মতো ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যারা ব্যাংকিং অ্যাপ বা সোশ্যাল মিডিয়া বেশি ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটি একটি বড় সুরক্ষা স্তর হতে পারে।
সহজ কথায়, পাসকি হলো আপনার ফোনের লক স্ক্রিনের মতোই একটি পদ্ধতি। যতক্ষণ আপনার ফোন আপনার কাছে থাকছে, ততক্ষণ কেউ আপনার অনুমতি ছাড়া অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবে না। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, যত দ্রুত সম্ভব গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলোতে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু করার পাশাপাশি পাসকি সাপোর্ট থাকলে তা সেটআপ করে নেওয়া উচিত। ছোট ছোট এই সচেতনতাই বড় ধরনের সাইবার ক্ষতি থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারে।
0 views
Comments (0)
Sign in to leave a comment.
Loading comments…